পোস্টগুলি

লকডাউন- লকওপেন

  (সাংসারপ্রেমী পুরুষ ও সংসারে গৃহিনীর শ্রমের মূল্যায়ন বিষয়ক নাটক)  *** লকডাউন- লকওপেন*** রচনায়ঃ সৈয়দ নাসিরউদ্দীন চৌধুরী ( বিপু )। সারসংক্ষেপঃ-- পাবেল একজন মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ। প্রাইভেট জব তাই বেশ ব্যাস্ত থাকে সারাদিন। পরিবারের প্রতিও বেশ যত্নবান। বিশ্বব্যাপী মহামারী কভিড-১৯ এর প্রকোপে বাংলাদেশেও লকডাউন ঘোষণা হয়। লকডাউনে সারাদিন বাসায় থেকে সে বাসার বিভিন্ন সমস্যা গুলো কেন রইল বা হলনা এবং সেগুলো করতে স্ত্রীকে নির্দেশ দেয়।স্বামীভক্ত শ্রদ্ধাপপরায়ন পাবেলের স্ত্রী নির্দেশের সব কাজই করে ঠিকঠাক মতো।কিন্তু লকডাউনে পাবেল তার স্ত্রীর উপর নিয়মনীতি আর কাজ ও সময়ের হেরফের দেখে উচ্যবাচ্য করে। এতে পাবেলের স্ত্রী চাপা অভিমান করে। পাবেল তার স্ত্রীকে বেশ ভালবাসে।স্ত্রীর এ অভিমান বুঝতে পেরে সে স্ত্রীর অভিমান ভাঙ্গায়। এক পর্যায়ে সাংসারিক কাজ পরেরদিন সে করবে বলে এবং করতে যেয়ে শত চেষ্টায়ও সব যথাযথ করতে পারেনি।যার কারনে তাকে একরকম হারতে হয়। অবশেষে পাবেল সেচ্ছায় স্বীকার করে যে--আসলে নারীরাও বাসায় বেশ কর্মব্যস্ত থাকে। যা সবাই বুঝেনা।মূল্যায়নও করতে পারেনা। নিজে কাজ করতে যেয়ে নারীর অবদান ও মূল্যা...

অনুরোধ

 অনুরোধ নাসিরউদ্দীন চৌধুরী ( বিপু ) ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, বাবুভাই। তোমায় অনুরোধ করে বলি- কিছুসুখ বিসর্জন দাও, কিছু শোক হটাও। ঐ বিলাসনীড় ছেড়ে বাহিরে আস। তোমার বিলাসিতায় দেখি সুখ আছে, আছে সখ পূর্ণতার তৃপ্তি। সক্ষমতা আর যোগ্যতায় আরও আছে যুক্তি। বাবু্পাঁড়ায় তুমি বেমানান নও। দেখ বাবুগিরি করে আজ কত রুপকবাবু। কানাবাবু, ল্যাংড়াবাবু, পাগলাবাবু। শির উঁচিয়ে জানায় সবে-আমি ফুলবাবু। পথ জানানেই,গন্তব্য নিশানও নেই। আছেশুধু  পথচলা, আর আছে বাবুয়ানার  ছলাকলা। ওরা পর ভুলা ও আত্মভুলা। ওরা মরীচিকা স্বপ্নে ভাসায় ভেলা। বাবুদের স্বজনেরা কষ্টেলড়ে, বাবুর তরে স্বপ্নজুড়ে উদাসপুরে। বাবু -বাবু- বাবু বলে আফসোস করে। বাবুভাই- ওরা শ্রমবিমুখ। উর্দ্ধেচোখ- প্রার্থে  গগনস্পর্শী সুখ। ওরা শিখর দেখে-- শেকড় দেখেনা।  বাবুভাই  আজ  অনুরোধ - পরার্থে  তুমি শ্রমে জড়। ঐ পথহারাদের রক্ষা করতে পথ গড়। ওরা  বুঝুক- শেকড়ে শ্রম  শিখরে সুখ। তুমি উপমা হও, উপদেশ দাও। আজ কর্তৃত্বের ঘর ছেড়ে কৃতিত্বের ঘরে আস। বুঝাও কর্তৃত্বে নয়- কৃতিত্বেই উজ্জ্বল  হয় মুখ। সত্য- শুদ্ধের কৃতিত্বধারী পায়...